iQOO 15T Coming Soon: Dimensity 9500 + ৮০০০mAh ব্যাটারি + ২০০MP ক্যামেরা নিয়ে শক্তিশালী ফোন আসছে – দাম কত হবে?

iQOO 15T

iQOO আবার গেমিং ক্যাটাগরিতে একটা পাওয়ারফুল ফোন নিয়ে আসতে চলেছে। সম্প্রতি Digital Chat Station-এর একটা পোস্ট থেকে জানা গেছে যে iQOO 15T নামে একটা নতুন মডেল শীঘ্রই লঞ্চ হতে পারে। এটা Dimensity 9500 চিপসেটের সিরিজের শেষ এবং সবচেয়ে শক্তিশালী ফোন হিসেবে পরিচিত হতে চলেছে।

লিক অনুসারে ফোনটিতে বেশ কয়েকটা আকর্ষণীয় ফিচার রয়েছে যা গেমার এবং হেভি ইউজারদের জন্য বেশ আকর্ষক হতে পারে। তবে এখনো সবকিছু লিকের পর্যায়ে আছে, অফিসিয়াল লঞ্চ হয়নি। চলো, যা যা জানা গেছে সেগুলো খুলে দেখি।

লঞ্চ সম্ভাব্য তারিখ

লিক বলছে iQOO 15T মে ২০২৬-এ লঞ্চ হতে পারে। এখনো অফিসিয়াল তারিখ ঘোষণা হয়নি। ভারতে লঞ্চের সম্ভাবনা আছে কি না সেটা এখনো নিশ্চিত নয়, তবে iQOO সাধারণত ভারতে তাদের ফ্ল্যাগশিপ মডেলগুলো নিয়ে আসে।

মূল স্পেসিফিকেশন (লিক অনুসারে)

iQOO 15T

  • ডিসপ্লে: ৬.৮৩ ইঞ্চি ±2K লার্জ ফ্ল্যাট স্ক্রিন (ফ্ল্যাট ডিসপ্লে, যা অনেকের পছন্দ)
  • প্রসেসর: MediaTek Dimensity 9500 (সিরিজের শেষ এবং সবচেয়ে পাওয়ারফুল ভার্সন)
  • ব্যাটারি: ৭৮৪৫mAh থেকে ৮০০০mAh+ সিঙ্গেল-সেল ব্যাটারি (এত বড় ব্যাটারি এই সাইজের ফোনে খুবই বিরল)
  • ক্যামেরা: ২০০MP মেইন ক্যামেরা (Samsung HP5 সেন্সর, 1/1.56″ সাইজ) — নাইট ফটোগ্রাফি এবং ডিটেইলের জন্য শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে
  • ডিজাইন: মেটাল ফ্রেম
  • ফিঙ্গারপ্রিন্ট: 3D ultrasonic in-display fingerprint sensor
  • প্রটেকশন: IP68/IP69 রেটিং (ধুলো ও পানি থেকে উন্নত সুরক্ষা)

এই স্পেকস দেখে মনে হচ্ছে iQOO 15T গেমিং এবং লং ব্যাটারি লাইফের উপর ফোকাস করে বানানো হচ্ছে। বিশেষ করে ৮০০০mAh+ ব্যাটারি এবং ২০০MP ক্যামেরা এই দামের রেঞ্জে বেশ আকর্ষণীয় হবে।

দাম ও কম্পিটিশন

ভারতে লঞ্চ হলে দাম সম্ভবত ₹৫৫,০০০ থেকে ₹৬৫,০০০ এর মধ্যে হতে পারে (এখনো কনফার্মড নয়)। এই দামে এটা Realme GT সিরিজ, Poco F সিরিজ, OnePlus Nord সিরিজ বা Vivo X সিরিজের সাথে সরাসরি লড়াই করবে।

See also  OnePlus Pad 4 Launch হচ্ছে: Snapdragon 8 Elite Gen 5 + ১৩,৩৮০mAh ব্যাটারি + ১৩.২ ইঞ্চি 3.4K ডিসপ্লে নিয়ে কেমন হবে?

যারা বড় ব্যাটারি, শক্তিশালী প্রসেসর, ভালো ক্যামেরা এবং প্রিমিয়াম বিল্ড চান, তাদের জন্য iQOO 15T একটা আকর্ষণীয় অপশন হতে চলেছে। তবে লঞ্চের পর রিয়েল পারফরম্যান্স, ক্যামেরা কোয়ালিটি এবং সফটওয়্যার আপডেট দেখে তবেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

Leave a Comment